এই বৈশিষ্ট্যগুলো থাকলে আপনিও একজন ডোনাল্ড ট্রাম্প

যদি নিচের লক্ষণগুলো আপনার মধ্যে দেখা যায়, তাহলে আগে এক গ্লাস জল খান, তারপর আয়নায় তাকান। কারণ খুব সম্ভবত আপনি সেই বিরল জাতের মানুষ, যাদের বলা যায় “ট্রাম্প-টাইপ ক্যারেক্টার”। অভিনন্দন বলব না, তবে বাস্তবতা এটাই।

১। সিদ্ধান্তহীনতার অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন
আপনার সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্টাইল দেখে ট্রাফিক সিগন্যালও কনফিউজড হয়ে যায়। এক মুহূর্তে বলছেন “আজ ডায়েট”, পরের মুহূর্তে “একটা বিরিয়ানি হলে ক্ষতি কী?” আপনার মাথার ভেতর সব সময় জরুরি মিটিং চলছে, কিন্তু সিদ্ধান্তে পৌঁছায় না।

২। নিজেই নিজের CEO
ব্যবসা মানে আপনার কাছে শুধু টাকা নয়, একটা আবেগ। কোথাও সুযোগ দেখলেই আপনি ভাবেন, “এখান থেকে কীভাবে লাভ করা যায়?” আপনি না থাকলে বাজারে ডিসকাউন্টই নাকি ঠিকমতো কাজ করে না।

৩। কথার কামান দাগানো বিশেষজ্ঞ
আপনি কথা বলা শুরু করলে আশেপাশের লোকজন গুগলে সার্চ করে, “উনি ঠিক কী বলতে চাইলেন?” বাক্য শুরু করেন একদিকে, শেষ করেন আরেকদিকে। মাঝখানে দু’টো ইংরেজি শব্দ ঢুকিয়ে দেন শুধু স্টাইলের জন্য।

৪। মুড সুইংয়ের মাস্টারক্লাস
যাকে ভালোবাসেন, তাকে আপনি পাঁচ মিনিটে আকাশে তুলে দেন। যাকে অপছন্দ করেন, তাকে নামাতে সময় লাগে না পাঁচ সেকেন্ডও। আপনার মুড দেখে রোলারকোস্টারও লজ্জা পায়।

৫। কথা না শুনলে সরাসরি ব্ল্যাকলিস্ট
আপনার কথা কেউ না মানলে সেটা শুধু অবাধ্যতা নয়, ব্যক্তিগত অপরাধ। তখন আপনি মনে মনে ঘোষণা করেন, “আজ থেকে তোর সঙ্গে সব সম্পর্ক বাতিল।” পরে অবশ্য আবার কথা হয়, কিন্তু সেটা অন্য গল্প।

৬। প্রেমে ফুলটাইম, সিরিয়াসনেস পার্টটাইম
প্রেমে পড়তে আপনার সময় লাগে না। সিরিয়াস হতে লাগে আরও কম। ভুল হলে আপনি বলেন, “লাইফে তো একটু এক্সপেরিমেন্ট দরকার।” যুক্তি শেষ, আলোচনা বন্ধ।

৭। দোষ কখনো নিজের নয়
ভুল? আপনি? অসম্ভব। দোষ সব সময় পরিস্থিতির, সিস্টেমের, মিডিয়ার, কিংবা পাশের বাড়ির লোকটার। আপনি শুধু শিকার, কখনো অভিযুক্ত নন।

৮। আত্মবিশ্বাস লেভেল: আকাশ ছোঁয়া
আপনি যদি বলেন, “আগামী বছর আমি ইতিহাস বদলে দেব”, লোকজন প্রথমে হাসে, তারপর ভাবে, “হয়তো পারেও।” আপনার কনফিডেন্সই আপনার সবচেয়ে বড় মার্কেটিং টুল।

৯। বাকস্বাধীনতার নিজস্ব সংজ্ঞা
আপনার কাছে ফ্রিডম অফ স্পিচ মানে একটাই জিনিস-আপনি যা বলবেন, সেটাই চূড়ান্ত। অন্য কেউ কিছু বললে সেটা ‘মিসআন্ডারস্ট্যান্ডিং’।

সব মিলিয়ে, যদি এই বৈশিষ্ট্যগুলো আপনার সঙ্গে মিলে যায়, তাহলে আপনি নিঃসন্দেহে একদম ঝকঝকে ট্রাম্প-টাইপ ক্যারেক্টার। এখন আয়নায় তাকিয়ে নিজেকে একবার জিজ্ঞেস করুন-
“আমি কি একটু বেশি নিজেকেই বিশ্বাস করি?”

উত্তর যদি “হ্যাঁ” হয়, তাহলে স্বাগতম। আপনি বিশেষ।   Read More: মহীরুহ নগরী – A Bengali Literary Piece by Sanjay Biswas



বাংলা ফান আর্টিকেল: ডোনাল্ড ট্রাম্প স্টাইলে ব্যক্তিত্বের বৈশিষ্ট্য


তো, এই গুণগুলো যদি আপনার মধ্যে থাকে, তাহলে বন্ধু, আপনিও  একজন ট্র্যাম্প । একটা ঝাক্কাস ক্যারেক্টার! এখন গিয়ে আয়নায় নিজেকে দেখুন আর বলুন, “মেইক আমেরিকা ডেসট্রয় এগেইন!” 


Post a Comment

Previous Post Next Post

Contact Form